মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৪

গতকাল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ‪#‎সুস্বাদু‬ বোলিং এবং ‪#‎অদেখা‬ ফিল্ডিং দেখে আমার মনে কিছু ‪#‎অভিনব‬ plan খেলা করছে । "BC . . . . . .বি " সভাপতি ‪#‎spoonপাপুন‬ চাচার নিকট আমার আবেদন , অতি শীঘ্রই আপনারা ICC এর নিকট এসব প্রস্তাবনা তুলে ধরবেন । ১।‪#‎প্রমোদখানাতৈরি‬ গতকাল দেখলাম সারাদিনেও কোন উইকেট না পড়ায় খেলোয়াড় এবং দর্শকরা হাহুতাশ করছেন । যদি তাদের জন্য একটি প্রমোদখানা থাকত তাহলে হয়ত তারা সেখানে কিছু আনন্দ লাভ করে পরে আবার refreshed মনে খেলাটা উপভোগ করতে পারত। ২।‪#‎echoboardস্থাপন‬ সারাদিনে যদিও কোন উইকেট পড়ে নাই , তবুও একটা ভাল বল করলে আশপাশ থেকে ‪#‎অনুপ্রেরনা‬ স্বরূপ হাততালি আসছিল । এখন আমার কথা হল , যদি পিছনে প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করার জন্য একটা echo-board স্থাপন করা হত , তবে হয়ত আমাদের দামাল ছেলেরা হাততালির শব্দে বহুগুনে " inspired " হয়ে অবশ্যই একটা উইকেট পেতেন । ৩।‪#‎টেপটেনিসবলপ্রবর্তন‬ আমাদের banglatiger রা মনে হয় টেপ টেনিস বলে খেলেই বেশি অভ্যাস্ত । তাই লোপ্পা বা ফুলটস বলে উইকেট পেতে চেষ্টা করেন । যদি ICC এর কাছে আবেদন করে ওই বলে খেলানোর একটা ব্যবস্থা করা যায় , তবে আমি নিশ্চিত যে তারা উইকেট পাবেই । ৪।‪#‎T20inTestCricket‬ টেস্ট ম্যাচে প্রতিদিন ৯০ ওভার খেলা হয় । ওই নিয়ম পাল্টে যদি ২০/২০ i mean ১২০ ওভার করে প্রতিদিন খেলা হত , তবে মনে হয় ‪#‎bonusover‬ পেয়ে আমাদের বোলাররা কিছু উইকেট পেলেও পেতে পারতেন। 
৫।‪#‎২ইনিংসেরTestMatch‬ যেহেতু বাংলাদেশের বোলাররা কোন টেস্ট দলকেই কখনো অল আউট করতে পারে না , আর করলেও ততক্ষণে বিপক্ষ দলের ৬০০ রান পার হয়ে যায় , তাই আমার আবেদন হল , বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য মোট ১২০০ রানের একটা টার্গেট বেধে দেয়া । এতে ব্যাটিংটাও শিখা হবে , আবার ২ দিনেই ম্যাচ হারার নতুন রেকর্ডও সৃষ্টি হবে। ৬।‪#‎একস্কোয়াডে১৪জন‬ যদি বাংলাদেশ দলে ১১ জনের সাথে আরও ৩ জন খেলোয়াড় বাড়তি নিয়ে মোট ১৪ জনের একটা squad করা হয় , মানে ডাগ আউটে যারা বসে আছেন তারাও খেলতে নামেন ,তখন হয়ত একটা ‪#‎aggressive‬ fielding নিয়ে উইকেট পাওয়া যেতে পারে। ৭।‪#‎খেলোয়ারস্থানান্তর‬ শুনলাম শর্ত ভঙ্গ করায় নাকি BPL এর সাত ফ্রাঞ্ছাইজিরই মালিকানা বাতিল করা হবে।তো তাদের ঘরে বসিয়ে না রেখে যদি বাংলাদেশ দলে ডাকা হয় , তবে একটা‪#‎আশারআলো‬ দেখা যেতে পারে । ৮।‪#‎বিপক্ষদলপরিবর্তন‬ আমাদের দেশে Brazil আর Argentina নামে দুইটি দলের বেশ সুনাম রয়েছে ।তাদের ‪#‎cricketteam‬ বানিয়ে যদি বাংলাদেশের সাথে একটা টেস্ট ম্যাচ খেলানো যায় , আমি অতি আশাবাদী যে বাংলাদেশ দল জিতবে । ৯।‪#‎উপাধিপরিবর্তন‬ Pakistan Cricket Team কে UNPREDICTABLE উপাধি দেয়া হয় , কারণ তারা যে কোন সময় যে কোন দলকে হারিয়ে দিতে পারে ।কিন্তু আমার যা মনে হচ্ছে,উক্ত উপাধি বাংলাদেশকে দেয়া উচিত , কারণ তারা যে কোন সময় যে কোন দলের বিপক্ষে হেরে বসতে পারে । ১০।‪#‎জাতীয়দিবসঘোষণা‬ উপরের একটা plan ও যদি যথাসময়ে কার্যকর না হয় , তাহলে যে কয়দিন টেস্ট ম্যাচ হবে , সে কয় দিন জাতিকে সান্ত্বনা দেবার জন্য‪#‎জাতীয়অবকাশদিবস‬ পালন করা যেতে পারে । *********এটি একটি ট্রোল পোস্ট । এটা পড়ে দয়া করে কেউ আমাকে ভুল বুঝবেন না। আপনার মত আমিও দেশকে অনেক ভালবাসি।এবং আমি আজকেও খেলা দেখব । এবং আশা করব বাংলাদেশ আমার লিখার যোগ্য উত্তর দিবে । u my lovely motherland ‪#‎BANGLADSEH‬  . . . . . . and  u . . . . . forever . . . . .alwayz . . . . . till death   
একাত্তর থেকে শুরু করে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন , যখনই বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে কোন প্রতিবেদন বা খবর দেখি , আমার হতাশ হতে ২ মিনিট লাগে না ! 
এখানে একটা কথা পরিষ্কার করা দরকার , বলা দরকার ‪#‎বাংলাদেশি‬ চলচ্চিত্র ! কারণ টালিউড এর সিনেমা আমাদের থেকে অনেকাংশে এগিয়ে গেছে সেটা নির্দ্বিধায় বলতে হবে ।সে কথায় পরে আসছি ।
বস্তুত আমাদের সিনেমার মান খুব যে ভাল নয় সেটা সবাই জানেন ।কিন্তু বর্তমানে অনেক নতুন চলচ্চিত্রকার উঠে এসেছেন যারা অন্তত চেষ্টা করছেন কিছু করে দেখাতে ।তাদের মধ্যে মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী আছেন , গাজী রাকায়েত , রেদওয়ান রনিরাও আছেন । এদের ছাপিয়ে আরেকজনের নাম না বললে বরাবরই অধর্ম করা হবে ! তিনি অনন্ত জলিল ।
এরা মোটামোটি একটা চেষ্টা করছেন দেশের সিনেমাকে একটি আদর্শ রুপ দিতে । এক্ষেত্রে তারা যে ব্যর্থ সেটা বলা যাবে না । তারা না থাকলে চোরাবালি , টেলিভিশন , থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার , মৃত্তিকা মায়া - এসব চলচ্চিত্র আমরা পেতাম কোথায় ?
হ্যাঁ , এসব চলচ্চিত্রকে একটা ক্রেডিট দেয়াই যায় । কিন্তু দেশের চলচ্চিত্রকে একটি পূর্ণ গঠন দিতে এটি কিন্তু যথেষ্ট নয় । কারণ , ২-১ টা চলচ্চিত্র দেশের সিনেমার ভাবমূর্তি এক ঝটকায় পাল্টে দিতে পারে না !
মূলত দেশে ভাল মানের সিনেমা তৈরি হলেও তার সংখ্যা আহামরি কিছু নয় ।বছরে এই ২-১ টা আর কি !
তাই বলাই যায় , দেশের চলচ্চিত্রের দৈন্য দশা আপাতত কাটছে না !
কিন্তু এর পিছনের কারণটা আসলে কি ?
আমি চলচ্চিত্র-বিশারদ নই , তাই অতি উচ্চ কথাবার্তা বলব না ।
আমাদের দেশে যাই ঘটুক না কেন , তার পেছনে একটা ‪#‎অব্যবস্থাপনা‬ থাকবেই ! এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক একটি ‪#‎ধ্রুবসত্য‬ ! !
আমাদের দেশে প্রেক্ষাগৃহ গুলোর মান নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ আছে , দেশের কয়টা প্রেক্ষাগৃহ পুরোপুরি ঠিক আছে , সেটা তদারক করার লোকও এই দেশে খুঁজে পাওয়া মুশকিল ! অনেক প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়েও পড়ে রয়েছে অনেকদিন ধরে , সেটা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে বলেও মনে হয় না !
আর নজরে আসলেই বা কি ! দেশের কত ভাগ লোক আজকাল সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখেন তা হাতেই গুনে ফেলা যায় বৈ কি ! দেশের ছবিই বা দেখেন কয় জন তার ও একটা হিসাব কষা যেতে পারে !
প্রেক্ষাগৃহের কথা বলতে একটা কাহিনী মনে পড়ে গেল ,আমরা তখন লালমাটিয়ায় । আমি তখন খুব ছোট , ১ কি ২ বছর হবে ! তখন " বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না " নামে একটি সিনেমা বেশ চলেছিল ।এক মহিলা সিনেমা হলে গিয়ে ছবিটা প্রায় ২০ বার ( বা তারও বেশি ) দেখে ফেলেছেন ! এতে খুশি হয়ে মালিক তাকে একটি শাড়ি উপহার দেন । কিন্তু হায় ! মহিলার স্বামী ছিলেন একজন আধ্যাত্মিক মানুষ , তিনি এই কথা শুনে সাথে সাথে স্ত্রীকে তালাক দেন ! ! !
উপরের ঘটনা এই কারণে বলা , যে সিনেমাই হোক আগে মানুষের চলচ্চিত্রের প্রতি একটি গভীর আকর্ষণ ছিল , এখন সেটা নেই ।কিন্তু তাই বলে অতি উচ্চবাচ্য করতে গিয়ে স্বামী - স্ত্রীর সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে সেটা কখনই যে কাম্য নয়।
আর আকর্ষণ কমে যাওয়ারও কারণ আছে । আজ টিভিতে দেখলাম , আমাদের অনন্ত " ভাই " এর গায়ে আগুন লেগেছে । সেটা নিভাতে আবার ৩-৪ জন দমকল বাহিনীর লোক এসে হাজির ! তারা পাইপ দিয়ে পানি ঢেলে রীতিমত আগুন নিভাচ্ছে !
মূলত এই কাহিনী দেখে আমি একজন সাম্যবাদী পাবলিক হয়েও বলি , ওয়াক থু !
তখন অন্যরা কি ভাবছে সেটা বুঝতে আইনস্টাইন না হলেও চলে !
তবে Hollywood কিংবা Bollywood এও যে এসব ঘটে না সেটা না বলে পারছি না !
একবার এক রেডিও প্রোগ্রাম শুনা কালে একটা কথা শুনলাম এক বিদেশি মুভি নিয়ে ।
যুদ্ধের প্রেক্ষাপট । মানুষ জীবন নিয়ে ছুটছে ।কিন্তু তার মাঝেও হিরোইন ফোনে হিরোকে বলে যাচ্ছে , I  U ! ! !
তিনি অনেকটা আক্ষেপের সুরে বললেন , আমাদের সিনেমা নিয়ে একটা অপবাদ তৈরি হয়ে গেছে ! তাই বিদেশি মুভিতে এসব কান্ড হলেও কেউ কিছু বলছে না ।
আর বলিউডের কথা নাই বা বললাম ।
আমাদের জাতির মধ্যে ‪#‎হুজুগি‬ আর ‪#‎গুতানি‬ নামে দুইটি মহা সংক্রামক ব্যাধি আছে ! আমরা বাইরের চাকচিক্যে বেশি ভুলি , আর নিজেদের মধ্যে কেউ ভাল কিছু করছে দেখেও আমরা তাকে নিন্দা করতে পিছপা হওয়ার মত ভুল করি না ! কী অদ্ভুত আমরা ! !
ভারতীয় বাংলা ছবি এখন যে এত টা জনপ্রিয় তার অন্যতম কারণ টা কি জানেন ? দর্শকদের ভালোবাসা আর গ্রহণযোগ্যতা । পাশাপাশি কাহিনী , লোকেশন , বলিউডের সান্নিধ্য - এই কারণ গুলো তো আছেই !
" গভীর জলের fish আমি গভীর জলের fish ,
পাবলিক তাই নাম দিয়েছে খোকা 420 " - লিরিক শুনে কি মনে হয় যে গানটা কলকাতায় জনপ্রিয় ?
ভারতীয়রা বিভিন্ন দেশের ফিল্মের কাহিনী নকল করে , তবুও তাদের জনপ্রিয়তায় এতুটুকু ভাটা পড়ে নি !
এমনকি এরা নিজেদের মধ্যেও তা করে থাকে !
Publicity জিনিসটা যদি বিশ্বের কোন জাতির মধ্যে থেকে থাকে তবে তারা হল ভারতীয় জাতি ।
তারা আর কিছুই না পারুক নিজেদের কৃত্বিত্বের সম্মানটুকু অন্তত দিতে জানে ।আর আমরা ! এই যে আমি ফেবুতে এত বকবক করছি সেই ফেবুতেই কিন্তু জলিল কে নিয়ে বিদ্রুপ করার জন্য অনেক পেজ আর গ্রুপ খোলা হয়েছে । আরে ভাইয়েরা আমার , তিনি তো ভুল হোক শুদ্ধ হোক , চেষ্টা করছেন কিছু একটা করতে ! আর আপনি তাকে ব্যাঙ্গ করতে সারাদিন **ফটোশপ নিয়ে পড়ে আছেন ! সেটা কি খুব ভাল হচ্ছে !
মূলত আমার নিজেরও আজকাল #বাংলাদেশি ফিল্মে অরুচি ধরেছে ! কারণ , আমি যে ওই‪ #‎ছিন্নমূল‬ জাতিরই একজন সক্রিয় সদস্য ! তবে দেশে খুব শীঘ্রই একটা ‪#‎চলচ্চিত্রীয়_সুস্থভাব‬ আসবে সেই আশায় রইলাম । 
********চলচ্চিত্র সম্পর্কে আমার জ্ঞান একেবারেই শুণ্যের কোঠায় ! তারপরও এতগুলো " বড় " কথা বলার জন্য দুঃখিত । মানুষ হিসেবে আমার কথায় ভুল-ভ্রান্তি থাকতেই পারে । সে রকম কিছু পেলে কেউ কমেন্টে লিখতে ভুল করবেন না ।